ডিজিটাল মার্কেটিং A to Z (বাংলা টিউটোরিয়াল)

আপনি কি নতুন ব্যক্তি হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে চান? -যাক, এটা জেনে খুব ভালো লাগলো যে, আপনিও ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান। 
 
তো যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান তাহলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় জানতে হবে। এর পাশাপাশি আপনার বিভিন্ন কাজে দক্ষ হতে হবে।
 
আর আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কি লাগবে ও কেমন দক্ষতার প্রয়োজন হবে। সেগুলো নিয়ে এই আর্টিকেলে বিস্তারিত বলবো।  

Table of Contents

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

যখন আপনি ডিজিটাল মাধ্যমে ইন্টারনেট কে ব্যবহার করে প্রোডাক্ট কিংবা ব্যবসার মার্কেটিং করবেন। তখন তাকে বলা হবে ডিজিটাল মার্কেটিং। 
 
যেমন, আপনি কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট প্রোমোশন করবেন। এখন আপনি যদি কম্পিউটার দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে সেই পন্যের মার্কেটিং করেন। তাহলে তাকে বলা হবে ডিজিটাল মার্কেটিং। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কি?

যখন কাস্টমারদের নিকট নির্দিষ্ট কোনো পন্যের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। তখন তাকে বলা হয়, মার্কেটিং। আর এই মার্কেটিং এর কাজটি করার জন্য যখন আপনি ডিজিটাল কোনো মাধ্যম কে ব্যবহার করবেন। তখন তাকে বলা হবে, ডিজিটাল মার্কেটিং। 
 
যেমন, আপনি ফেসবুকে আপনার পন্যের মার্কেটিং করলেন। যেটি করার জন্য আপনাকে মোবাইল অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয়েছে। এছাড়াও আপনার নেট কানেকশন এর প্রয়োজন হয়েছে। মূলত এটিই হলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর মূল কাজ। 

ডিজিটাল মার্কেটিং A to Z
ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

 

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার?

আমরা অনেকেই জানতে চাই যে, ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার। তো ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোনো প্রকারভেদ নাই। তবে আপনি বিভিন্ন উপায়কে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন। আর সেই উপায় গুলো হলো, 
 
  1. কনটেন্ট মার্কেটিং (Content Marketing),
  2. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM),
  3. ই-মেইল মার্কেটিং (Email Marketing),
  4. এসইও (SEO),
  5. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM),
  6. পে-পার ক্লিক (PPC).
  7. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing),
 
উপরের তালিকায় আপনি বেশ কিছু উপায় এর নাম দেখতে পাচ্ছেন। মূলত এই উপায় গুলোর মাধ্যমে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করতে পারবেন। তবে এগুলো কে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রকারভেদ হিসেবে ধরা যাবেনা। 

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবো?

বর্তমান সময়ে নিজের ব্যবসাকে সফল করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ, মানুষ এখন কোনো পন্য ক্রয় করার আগে অনলাইনে সার্চ করে রিভিউ দেখে নেয়। 
 
আর আপনি যদি অনলাইনে সেই সকল মানুষের নিকট আপনার পন্যের মার্কেটিং করেন। তাহলে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দ্রুত পরিচিতি লাভ করবে। সেইসাথে আপনার পন্য সেল হওয়ার পরিমানও বেড়ে যাবে। 
 
তাই যদি আপনি একজন সফল ব্যবসায়ী হতে চান। তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার ব্যবসার ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে কি লাগে?

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে কি কি লাগে – এবার আমি আপনাকে ধাপে ধাপে সে গুলো জানিয়ে দিবো। তাই চলুন, এবার মূল আলোচনা তে ফিরে যাওয়া যাক। 

০১- আপনার একটা ডিভাইস এর দরকার হবে

যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করতে চান, তাহলে সবার আগে আপনার কাছে একটি ভালো মানের কম্পিউটার থাকতে হবে। যেটি দিয়ে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর সকল কাজ করতে পারবেন। 
 
হয়তবা অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন যে, ভাই মোবাইল দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যাবে কিনা। 
 
তাদের বলবো যে, একটু কষ্ট করে কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ ক্রয় করুন। তাহলে আপনার কাজের ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা থাকবে না। 

০২- ভাচুয়াল কার্ড বা মাষ্টার কার্ড

ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রধান কাজ হলো, কোনো প্রোডাক্ট এর পেইড প্রমোশন বা মার্কেটিং করা। 
 
আর আপনি যখন বিভিন্ন প্লাটফর্মে সেই প্রোডাক্ট পেইড প্রমোশন করবেন। তখন আপনার মাষ্টার কার্ড এর দরকার হবে। যার মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞাপন রেডি করে সেটি বিভিন্ন প্লাটফর্মে প্রচার করতে পারবেন। 
 
সেক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন ধরনের ভার্চুয়াল মাষ্টার কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। যেমন, Paypal, Payoneer, Neteller ইত্যাদি। 

০৩- মার্কেটিং করার দক্ষতা  

নির্দিষ্ট একটি প্রোডাক্ট কিভাবে কাষ্টমারদের নিকট প্রচার করতে হবে। সে সম্পর্কে আপনার অবশ্যই পর্যাপ্ত ধারনা থাকতে হবে। 
 
কেননা, যতক্ষন আপনি কাষ্টমারদের নিকট আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছাতে পারবেন না। আপনার কাষ্টমারদের প্রোডাক্ট কেনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হবেনা। 
 
ততক্ষন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। তাই মার্কেটিং করার সকল স্ট্রাটেজি প্রয়োগ করে আপনার প্রোডাক্ট সেল করতেই হবে। 

০৪- বিজ্ঞাপন সেটআপ করার অভিজ্ঞতা

একটু ভেবে দেখুন, আপনাকে কোনো একটি কোম্পানি থেকে তাদের একটি প্রডাক্ট প্রচার করতে বললো। 
 
এখন আপনাকে তাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে এনালাইস করতে হবে। সেই প্রোডাক্ট কারা কিনবে, তাদের বয়স কেমন হবে, তাদের আয়ের পরিমান আছে কিনা সেগুলো জানতে হবে। 
 
কারন, আপনি যখন এই ডেটা গুলো সংগ্রহ করতে পারবেন। তখন আপনি অনলাইনের যে কোনো প্ল্যাটফর্মে সঠিক ভাবে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করতে পারবেন। 

০৫- কন্টেন্ট স্ট্রাটেজি

ডিজিটাল মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে কন্টেন্ট এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কারণ, এই কন্টেন্ট এর মাধ্যমে আপনি আপনার সেল করা প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করতে পারবেন। 
 
আর বর্তমান সময়ে আপনি মোট ০৩ ধরনের কন্টেন্ট দেখতে পারবেন। যে কন্টেন্ট গুলোর সবচেয়ে বেশি চাহিদা আছে। সেগুলো হলো,  
 
  1. Video Content,
  2. Blog Content (Text),
  3. Infographic Content,
  4. Ebook Content,
  5. Social media Content,
  6. Case study Content,
  7. Podcast Content,
See also  বুলগেরিয়া কাজের ভিসা আপডেট | ভিসা খরচ, বেতন
 
উপরের তালিকায় আপনি মোট ০৭ প্রকারের কন্টেন্ট দেখতে পাচ্ছেন। যে গুলোর মাধ্যমে আপনি ডিজিটাল ভাবে পন্যের মার্কেটিং করতে পারবেন। 

০৭- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

আপনি যদি কোনো প্রোডাক্ট এর ফ্রি মার্কেটিং করতে চান। তাহলে আপনাকে অবশ্যই এসইও সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান রাখতে হবে। 
 
যার মাধ্যমে আপনি অর্গানিক ভাবে আপনার টার্গেট করা কাষ্টমারদের প্রোডাক্ট কেনার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে পারবেন। 
 
কারণ, মানুষ এখন কোনো প্রডাক্ট কেনার আগে গুগল ও ইউটিউবে সার্চ করে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি এসও করার মাধ্যমে প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করতে পারেন। তাহলে আপনার মার্কেটিং করার ব্যয় অনেকটা কম হবে।  

০৮- সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে জ্ঞান

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া আছে। যেমন, Facebook, Twitter (X), Instagram ইত্যাদি। তো এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম গুলো মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ ব্যবহার করে। যাদের মধ্যে আপনার মার্কেটিং করা পন্য ক্রয় করার কাস্টমারও আছে।   
 
তাই আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য টার্গেট করা কাষ্টমার কোন সোশ্যাল মিডিয়া তে একটিভ থাকে। তা আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। 
 
আর যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে, আপনার কাস্টমার ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে। তখন আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং উক্ত সোশ্যাল মিডিয়া তে করতে হবে। তবে এই কাজটি করার জন্য আপনার বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। 

০৯- ডিজাইন সম্পর্কে ধারনা 

একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করার সময় সেই বিজ্ঞাপন এর ব্যানার কিংবা লোগো, টেক্সট ইত্যাদির সঠিক ব্যবহার করতে হয়। 
 
আর এই বিষয় গুলোকে যাচাই করার জন্য আপনাকে একটু হলেও ডিজাইনিং সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে। 

১০- নিজের ইচ্ছা ও ধৈর্য্য

দেখুন, বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যাপক চাহিদা আছে। কিন্তুু এতো বেশি চাহিদা থাকার পরও অনেক মানুষ সফলতা পায়না। 
 
এর কারণ হলো, তাদের মধ্যে কাজ করার ইচ্ছা ও ধৈর্য্যের অভাব ছিলো। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং করে সফলতা পেতে হলে আপনার মধ্যে কাজ করা ও শেখার প্রবল ইচ্ছা থাকতে হবে। সেইসাথে আপনাকে হতাশ না হয়ে ধৈর্য্য সহকারে কাজ করতে হবে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে কি শেখানো হয়?

আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স করেন তাহলে আপনি বেশ কিছু কাজ শিখতে পারবেন। আর সেই কাজ গুলো হলো, 
 
  1. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, 
  2. কন্টেন্ট মার্কেটিং, 
  3. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, 
  4. এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন),,
  5. ইমেইল মার্কেটিং,
  6. কাস্টমার একটিভিটি এনালাইজ,
  7. প্রোডাক্ট প্রচার করার পদ্ধতি,
  8. অনলাইনে নিজের ব্রান্ড তৈরি করার প্রক্রিয়া,
  9. অনলাইন ব্যবসায় সফল হওয়ার আইডিয়া,
See also  রোমানিয়া ভিসা আপডেট নিউজ ২০২৩
 
যদিওবা ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স গুলোতে আরো অনেক কিছু শেখানো হয়। তবে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দক্ষতা গুলো উপরে তালিকায় শেয়ার করা হয়েছে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার সুবিধা কি?

এটি অনেক সুন্দর একটি প্রশ্ন। আর আপনার মতো অনেকেই জানতে চায় যে, ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার সুবিধা কি। তো সত্যি বলতে এই ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার অনেক সুবিধা আছে। সেগুলো হলো, 
 
০১ –  চাকরি করার সুবিধাঃ সময় যতো অতিবাহিত হচ্ছে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আপনি যদি একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে থাকেন। তাহলে আপনি দেশ বিদেশের বিভিন্ন কোম্পানিতে অনলাইন বা অফলাইনে চাকরি করার সুবিধা পাবেন। 
 
০২ – উচ্চ বেতন সুবিধাঃ সচারচর যারা বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করতে পারে। তাহলে আপনার উচ্চ বেতনে চাকরি করার সুযোগ তৈরি হবে। কারণ, বিশ্ব যতো ডিজিটাল হবে, ঠিক ততোই দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার এর চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। 
 
০৩ – কাজের মধ্যে স্বাধীনতাঃ আমরা সবাই নিজের কাজের মধ্যে স্বাধীনতা কে ভালোবাসি। আর আপনি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করবেন। তখন আপনি আপনার নিচের সুযোগ সুবিধা মতো কাজ করার স্বাধীনতা পাবেন। 
 
০৩ – নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করাঃ ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার সময় শুধুমাত্র মার্কেটিং স্ট্রাটেজি শেখানো হয়না। বরং আপনি আরো অনেক দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন যেমন, লেখালেখি করার দক্ষতা, গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে দক্ষতা, ভিডিও এডিটিং দক্ষতা, এসইও দক্ষতা ইত্যাদি। 
 
তো আপনি যখন একজন নতুন ব্যক্তি হয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবেন। তখন আপনি যেসব সুযোগ সুবিধা পাবেন সেগুলো নিয়ে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।  

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কেমন?

কোনো কাজ করার আগে সেই কাজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও আমাদের সঠিক ধারনা থাকা দরকার। তাই আপনারা যারা ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানতে চান। তাদের বলবো যে, সময়ের সাথে সাথে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। 
 
কারণ, বর্তমান সময়ে ছোটো ছোটো কোম্পানি থেকে জায়েন্ট কোম্পানি গুলো পর্যন্ত সবাই ব্যবসার প্রসারের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং করছে। আর ভবিষ্যতে প্রায় শতভাগ কোম্পানি ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে যুক্ত হবে। 
 
সেক্ষেত্রে আপনি যদি একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার হতে পারেন। তাহলে আপনারও চাকরির অভাব হবেনা। বরং এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করে এখন থেকেই নিজের সফল ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারবেন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে?

সেই সকল মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে, যাদের কোনো না কোনো কাজে দক্ষতা আছে। আর যদি আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং করার দক্ষতা থাকে। তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং দক্ষতার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করতে পারবেন। 
 
আর বর্তমান সময়ে আপনার মতো এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা ইতিমধ্যে ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করে নিজের সফল ক্যারিয়ার গড়ে নিতে ‍পেরেছেন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত দিন লাগে?

যদি আপনি কোনো আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স করেন। তাহলে আপনি ৩ মাস, ০৬ মাস ও ১২ মাস মেয়াদী ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি যদি অনলাইন থেকে কোনো মেন্টরের কোর্স করেন। তাহলে আপনার শেখার চাহিদা ও ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে। 
 
কেননা, সবার ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত দিন সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। হয়তবা আপনার যদি ০৬ মাস লাগে, তাহলে অন্য কারো ৩ মাসেই ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা সম্পন্ন হবে। তাই এটা সম্পূর্ণ ভাবে নির্ভর করবে আপনার কাজ শেখার আগ্রহ ও শেখার দক্ষতার উপর।  

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত টাকা লাগে?

একজন নতুন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত টাকা লাগবে। সেটি আসলে সেই ব্যক্তির শেখার প্রতিষ্ঠান বা ধরনের উপর নির্ভর করবে। কারন, এমন অনেক আইটি প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো তে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা যায়। 
 
তবে আপনি যদি স্বনামধন্য কোনো আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান। আর আপনার কোর্সের মেয়াদ যদি ০৬ মাস থেকে ০১ বছর হয়। তাহলে আপনার ৩০/৪০ হাজার টাকা ব্যয় করতে হবে। 
 
কিন্তুু আপনি যদি অনলাইন কোর্স কিনে বাসায় বসে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে পারেন। তাহলে আপনি খুব কম খরচে শিখতে পারবেন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স PDF

এখন পর্যন্ত আমাদের অফিসিয়াল সাইট থেকে কোনো ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স PDF তৈরি করা হয়নি। তবে আপনি যদি উক্ত কোর্স ফ্রিতে পেতে চান, তাহলে নিচে আপনার ইমেইল আইডি কমেন্ট করবেন। 
 
তারপর আমি ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স PDF আপনাকে মেইল করে পাঠিয়ে দিবো। সেখান থেকে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং বই PDF free download করতে পারবেন। 

ডিজিটাল মার্কেটার এর কাজ কি?

অনলাইন প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে কোনো প্রোডাক্ট এর প্রচার করাই হলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর মূল কাজ। যেমন ধরুন আপনাকে কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল মার্কেটিং কাজে নিয়োগ দেওয়া হলো। এখন আপনাকে সেই কোম্পানির মধ্যে থাকা প্রোডাক্ট গুলোকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মার্কেটিং করতে হবে। 
 
আর যখন আপনি একজন মানুষ হিসেবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করবেন। তখন আপনাকে বলা হবে ডিজিটাল মার্কেটার। আশা করি, বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।  

ছোট ব্যবসায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রভাব কি?

ব্যবসার ক্ষেত্রে সর্বদা একটা বিষয় মাথায় রাখবেন। সেটি হলো, কোনো একটি ব্যবসা হুট করেই বড় হয়না। বরং একটি ছোটো ব্যবসা কে সঠিকভাবে মার্কেটিং এর মাধ্যমে প্রসার করা সম্ভব। সেটা আপনি বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে করতে পারবেন। 
 
সেজন্য আপনি যদি ছোট ব্যবসায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আমি বলবো যে, ব্যবসার প্রসারের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রভাব অপরিসীম। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এসিও কি?

আপনি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। তখন আপনাকে বিভিন্ন উপায়ে উক্ত মার্কেটিং এর কাজ করতে হবে। আর সেই কাজ গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, এসইও। যার পূর্ণরুপ হলো, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। 
 
যার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন থেকে অর্গানিক ভাবে আপনার কাস্টমারদের নিকট পৌঁছাতে পারবেন। আর এসইও এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসার পরিচিতি বাড়াতে পারবেন। সেইসাথে আপনার ব্যবসার প্রোডাক্ট এর প্রচার করতে পারবেন। 

আপনার জন্য কিছুকথা 

আমরা অনেকেই বুঝতে পারিনা যে, ডিজিটাল মার্কেটিং করতে কি কি লাগে। তো সে কারণে আপনার আসলে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে কি কি লাগবে সে বিষয় গুলো নিয়ে আজকে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 
 
তবে এরপরও যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে আরো কোনো অজানা বিষয় জানতে চান। তাহলে আমাদের সাথে থাকবেন। আর এতক্ষন ধরে আমাদের সাথে থাকার জন্য। আপনাকে জানাচ্ছি অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *