মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করার নিয়ম

আপনি পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা এপ্লিকেশন নম্বর ও কোম্পানি রেজিষ্টার নাম্বার দিয়ে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করতে পারবেন। তবে তার জন্য আপনাকে নিচের পদ্ধতি গুলো ফলো করতে হবে। আর উক্ত পদ্ধতি গুলো.  

 

  1. আপনি (https://eservices.imi.gov.my/myimms/PRAStatus?lang=en) এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। 

  2. তারপর সেখানে আপনি মোট ০৩ টি ফাঁকা বক্স দেখতে পারবেন। সেগুলো হলো, Application Number, Company Registration No ও Employer Identification Card No.

  3. তো যদি আপনি আপনার কোম্পানির রেজিষ্ট্রেশন নম্বর দিয়ে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করতে চান। তাহলে Employer Identification Card No এ আপনার নম্বরটি বসিয়ে দিবেন। 

  4. তবে আপনি যদি আপনার অ্যাপ্লিকেশন নম্বর দিয়ে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করতে চান। তাহলে Application Number এ আপনার নম্বরটি বসিয়ে দিবেন। 

  5. সবশেষে আপনাকে “Search” অপশনে ক্লিক করতে হবে। 

 

তো আপনি যখন উপরের পদ্ধতি গুলো সঠিক ভাবে ফলো করতে পারবেন। তখন আপনি আপনার Application Number ও Employer Identification Card No দিয়ে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করতে পারবেন। 

 

কিন্তুু যদি আপনি আপনার পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করতে চান। তাহলে আপনাকে অন্য আরেকটি পদ্ধতি ফলো করতে হবে। আর সেই পদ্ধতি টি নিচে দেওয়া হলো।


 

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করার নিয়ম

পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করার উপায়

আপনি চাইলে আপনার নিকট থাকা পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করতে পারবেন। সেজন্য আপনাকে নিচে দেখানো পদ্ধতি গুলো ফলো করতে হবে। আর সেগুলো হলো, 

See also  সরকারি ভাবে রোমানিয়া যাওয়ার নিয়ম ২০২৩

 

  1. সবার প্রথমে আপনাকে এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। 

  2. তারপর আপনি একটু নিচের দিকে “No Passport” নামক একটি অপশন দেখতে পারবেন। 

  3. সেখানে আপনার পাসপোর্ট নাম্বারটি বসিয়ে দিবেন। 

  4. এর ঠিক নিচে “Warganegara” অপশনে আপনার জাতীয়তা হিসেবে “Bangladesh” সিলেক্ট করবেন। 

  5. সবার শেষে ডানপাশে “Carian” নামক অপশন এর মধ্যে ক্লিক করতে হবে। 

  6. তাহলে আপনি আপনার মালয়েশিয়া ভিসা চেক করতে পারবেন। 

 

মনে রাখবেন, এই ওয়েবসাইটে সকল তথ্য গুলো মালয়েশিয়ান ভাষা থাকবে। তবে আপনি যদি উপরে দেখানো পদ্ধতি গুলো ফলো করেন। তাহলে আশা করি, আপনার কোনো ধরনের সমস্যা হবেনা। 

মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করার প্রয়োজনীয়তা কি?

সত্যি বলতে বর্তমান সময়ে আমাদের দেশ থেকে প্রচুর পরিমান মানুষ মালয়েশিয়া যায়। আর এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে অনেক দালাল প্রতারনার ফাঁদ তৈরি করেছে। যেখানে আপনাকে ভুয়া ভিসা দিয়ে টাকা নিয়ে তারা উধাও হয়ে যাবে। 

 

আর আপনি চাইলে খুব সহজেই সেই প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। সে জন্য আপনাকে উপরে দেখানো পদ্ধতি গুলো ফলো করে ভিসা চেক করতে হবে। আর আপনি তো এখন নিজের ঘরে বসে ভিসা চেক করতে পারবেন। সেইসাথে দালালদের প্রতারনার হাত থেকে রেহাই পাবেন। 

 

মূলত এইসব কারণে আপনার অবশ্যই মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করা বাধ্যতামূলক। যেটা শুধু আপনার জন্য নয়, আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য। 

শুধু পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে কি মালয়েশিয়া ভিসা চেক করা যায়?

হ্যাঁ! আপনি শুধু পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে মালয়েশিয়া ভিসা চেক করতে পারবেন। আর পাসপোর্ট নাম্বার এর পাশাপাশি আপনি আপনার কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন ও অ্যাপ্লিকেশন নাম্বার দিয়েও মালয়েশিয়া ভিসা চেক করতে পারবেন। 

মালয়েশিয়ায় ৩ মাস থাকার উপায় কি?

যদি আপনি মালয়েশিয়াতে ০৩ মাস থাকতে চান। তাহলে আপনাকে স্বল্পমেয়াদী ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এছাড়াও বর্তমানে মালয়েশিয়া তে ভিজিট ভিসায় ০৩ মাস থাকা বৈধ। 

See also  জার্মানিতে কোন কাজের চাহিদা বেশি?

মালয়েশিয়া যেতে কত টাকা খরচ হয়?

আপনি যদি দালাল বা এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়া যান। তাহলে আপনার মোট খরচের পরিমান ০৫ থেকে ০৬ লাখ বা তারও বেশি টাকা লাগতে পারে। আর সরকারি ভাবে যেতে পারলে আপনার খরচ হবে প্রায় ৮০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা।

মালয়েশিয়া ভিসা করতে কি কি লাগে?

বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়া ভিসা করার জন্য আপনার বেশ কিছু ডকুমেন্টস এর দরকার হবে। যেমন, 

 

  1. বৈধ পাসপোর্ট, 

  2. শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট (প্রয়োজন অনুসারে),

  3. কাজের যোগ্যতার সনদ (প্রয়োজন অনুসারে),

  4. সদ্য তোলা ছবি, 

  5. ভিসা আবেদন ফর্ম,

 

এছাড়াও ভিজিট ভিসার জন্য আপনার ফিনান্সিয়াল ডকুমেন্ট, কভারিং লেটার ও মালয়শিয়া হোটেল বুকিং কপি প্রদান করতে হবে। 

মালয়েশিয়া ভিসা কত প্রকার?

বর্তমান সময়ে মালয়েশিয়া তে বিভিন্ন ধরনের ভিসা পাওয়া যায়। আর সেগুলো হলো, ট্যুরিস্ট ভিসা, ব্যবসায়িক ভিসা, ছাত্র ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ইত্যাদি। 

আপনার জন্য আমাদের কিছুকথা

প্রিয় পাঠক, আপনি কিভাবে আপনার মালয়েশিয়া কলিং ভিসা চেক করতে পারবেন। আজকে আমি সেই পদ্ধতি গুলোকে ধাপে ধাপে দেখিয়ে দিয়েছি। তো এরপরও যদি আপনার কোনো ধরনের সমস্যা হয়। তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। 

 

আর এই ধরনের ভিসা কিংবা পাসপোর্ট সংক্রান্ত অজানা তথ্য জানতে, আমাদের সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *