হার্প টেকনোলজি কি? এটি কিভাবে কাজ করে?

বর্তমান পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ হয়। যেমন, ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন, খরা, বন্যা ইত্যাদি। আর এই সব গুলোই হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। কিন্তুু আপনি কি জানেন, এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ গুলো কে কৃত্রিম ভাবে সৃষ্টি করা সম্ভব?

 

হুমম, আপনি ঠিকই দেখেছেন। কেননা, বর্তমান সময়ে নতুন একটি টেকনোলজির উদ্ভব হয়েছে। যাকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম ভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি করা সম্ভব। আর এই উন্নত টেকনোলজির নাম হলো, হার্প টেকনোলজি। 

 

তো আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাকে হার্প টেকনোলজি সম্পর্কে ধারনা দিবো। মূলত এটি কি এবং কিভাবে কাজ করে। সে বিষয়ে আজকে পরিস্কার ধারনা পেয়ে যাবেন। সেজন্য আপনাকে নিচের আলোচিত আলোচনায় নজর দিতে হবে। 


হার্প টেকনোলজি কি?

 

হার্প টেকনোলজি কাকে বলে?

Haarp technologies Bangla: যে উন্নত টেকনোলজির মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি করা যায়। তাকে বলা হয়, হাপ টেকনোলজি। যার সাহায্য বড় বড় দুর্যোগ যেমন, ঘূর্নিঝড়, ভূমিকম্প কিংবা জলোচ্ছাস এর মতো দুর্যোক কে কৃত্রিম ভাবে সৃষ্টি করা সম্ভব। 

 

এখন হয়তবা আপনি ভাবছেন যে, কিভাবে হার্প টেকনোলজি দিয়ে এই ধরনের দুর্যোগ সৃষ্টি করা যায়। তো আপনি যদি এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান। তাহলে আপনাকে নিচের আলোচনা তে চোখ রাখতে হবে। 

হার্প টেকনোলজি কতটা ভয়াবহ?

উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, হার্প টেকনোলজি কি। তো এবার আমাদের এই উন্নত টেকনোলজির ভয়াবহতা সম্পর্কে একটু ধারনা রাখা দরকার।  

 

তো এই হার্প টেকনোলজি মানব সভ্যতার জন্য হুমকিস্বরুপ। কেননা, হার্প টেকনোলজির সাহায্য কি কি করা যায়। আপনি যদি সে সম্পর্কে জানতে পারেন। তাহলে আপনি রিতীমতো অবাক হয়ে যাবেন। তাই চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায়।

See also  থ্রেডস কি? Threads এর সুবিধা ও অসুবিধা

 

  1. কৃত্রিম ভাবে মেঘ তৈরি করা সম্ভব। যার কারণে নির্দিষ্ট স্থানে ভারী বষ্টিপাত কিংবা খরার সৃষ্টি করা যায়।
  2. নির্দিষ্ট একটি স্থানে ভূমিকম্প সৃষ্টি করা সম্ভব। 
  3. প্রয়োজনে নির্ধারিত অঞ্চলে জলোচ্ছাস সৃষ্টি করা যাবে। 
  4. পৃথিবীর মধ্যে থাকা চৌম্বক ক্ষেত্র কে পরিবর্তন করা সম্ভব।
  5. যেকোনো মিসাইল বা এয়ারক্রাফট কে ধ্বংস করা যাবে।

 

তো উপরে আপনি দেখতে পারছেন যে, হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা সম্ভব। আর এখান থেকে আপনিও অনুমান করতে পারবেন। হার্প টেকনোলজি আমাদের মানুষের জন্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে। 

হার্প টেনোলজি দিয়ে কি ভূমিকম্প সৃষ্টি করা যায়?

হুমম, অবশ্যই। আপনি জানলে অবাক হয়ে যাবেন কারণ, ভূমিকম্পের মতো বড় একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কৃত্রিম ভাবে সৃষ্টি করা যায়। কেননা, এই পুরো পৃথিবীটা অনেক গুলো টেকটনিক প্লেট এর উপর অবস্থান করে আছে। আর সেই প্লেট গুলোতে যখন কম্পন সৃষ্টি হয়। তখন আমরা পৃথিবীতে ভূ-কম্পন অনুভব করি। 

 

তো এই ধরনের ভূ-কম্পন প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি হলেও। বর্তমানে হার্প টেকনোলজির মাধ্যমে কৃত্রিম ভাবে সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। যে কারণে এখন ইচ্ছে করলে নির্দিষ্ট একটি দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে ভূমিকম্প সৃষ্টি করা যাবে। আশা করি, উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে পরিস্কার ভাবে বুঝতে পেরেছেন। 

হার্প টেকনোলজি অজানা তথ্য গুলো কি কি?

উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পারলাম, হার্প টেকনোলজি হলো একটি দানব প্রযুক্তি। যার ফলে কৃত্রিম ভাবে দুর্যোগ সৃষ্টি করে মানব সভ্যতা কে হুমকির মুখে ফেলা সম্ভব। আর সে কারণে যারা এই হার্প টেকনোলজি নিয়ে কাজ করছে। তারা কখনই এই বিষয়টি কে প্রকাশ্যে আনতে চায়না। 

 

হয়তবা অনেকেই বলবে যে, ওমুক দেশ কিংবা তমুক দেশ এই টেকনোলজি নিয়ে কাজ করছে। কিন্তুু এই কথা গুলোর তেমন কোনো ভিত্তি নেই। কারন, যারা এই উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে। তারা কখনই মানুষ এর কাছে স্বীকার করবে না। 

See also  চীনের সেনাবাহিনীর সংখ্যা কত ?

 

তাই এখন অব্দি এই হার্প টেকনোলজি সম্পর্কে তেমন কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হয়নি। এবং আমরা যে এই প্রযুক্তি নিয়ে আর্টিকেল লিখছি। সেই তথ্য গুলো অনলাইনের বিভিন্ন সোর্স থেকে সংগ্রহ করেছি। যার অর্থ আমরাও এই তথ্য গুলো সম্পর্কে সন্দীহান। 

হার্প কে পরিচালনা করে?

উত্তরঃ আমরা সকলেই জানি যে, বিমান বাহিনী মূলত HAARP এর মালিকানাধীন। কিন্তু আগস্ট 2015 এ গবেষণা করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি গুলো UAF এর কাছে স্থানান্তর করে। তারপর থেকে UAF উক্ত হার্প কে পরিচালনা করে। 

প্রযুক্তি কত প্রকার কি কি?

উত্তরঃ প্রযুক্তি কে বেশ কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন, তথ্য প্রযুক্তি, জৈব প্রযুক্তি, পারমাণবিক প্রযুক্তি, যোগাযোগ প্রযুক্তি, যান্ত্রিক প্রযুক্তি, চিকিৎসা প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মধ্যে সম্পর্ক কি?

আমরা সকলেই জানি যে, বিজ্ঞানের কাজ হল প্রকৃতির নিয়ম গুলোকে আবিষ্কার করা। আর প্রযুক্তি বলতে বোঝায় হয়, বিজ্ঞান থেকে প্রাপ্ত নিয়ম এর প্রয়োগ করে নতুন নতুন যন্ত্র উদ্ভাবন করা। আর সেই যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তব সমস্যার সমাধান করা।

 

পরিশেষে আমাদের কিছুকথা

প্রিয় পাঠক, বর্তমান সময়ে আমরা অনেকেই হার্প টেকনোলজির নাম শুনতে পাচ্ছি। তো এই হার্প টেকনোলজি কি সে বিষয়ে যেন আপনি সঠিক ধারনা নিতে পারেন। মূলত সে কারণেই আজকের এই আর্টিকেল টি লেখা হয়েছে। 

 

আর আপনি যদি এই ধরনের অজানা বিষয় গুলো সহজ ভাষায় জানতে চান। তাহলে আমাদের সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ, এতক্ষন ধরে আমাদের সাথে থাকার জন্য। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *