বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়ার উপায় ২০২৩

বর্তমান বেশ কিছু ভিসার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়া সম্ভব। আর সেই ভিসা গুলো হলো, 

 

  1. ওয়ার্ক পারমিট ভিসা,

  2. ভিজিট ভিসা,

  3. ব্যবসা ভিসা,

  4. ফ্যামেলি ভিসা,

  5. শিক্ষা ভিসা,

  6. অন্যান্য ভিসা,

 

তবে আমাদের বাংলাদেশ থেকে অধিকাংশ মানুষ কাজ/চাকরি করার জন্য মাল্টা যেতে চায়। 

 

আর কাজ করার জন্য বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়ার যেতে হলে। আপনাকে অবশ্যই ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

 

বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়ার উপায় ২০২৩

তো বর্তমান সময়ে আপনি মোট ০৩ টি উপায়ে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। আর সে গুলো হলো, 

 

  1. নিজেই ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় আবেদন করে,

  2. মাল্টায় অবস্থারনত পরিচিতি ব্যক্তির মাধ্যমে,

  3. বাংলাদেশ পররাষ্ট্র কল্যান মন্ত্রনালয় থেকে,

 

মূলত উপরে দেখানো এই উপায় গুলোর মাধ্যমে। আপনি ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যেতে পারবেন। 

মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আপডেট

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চালু রেখেছে মাল্টা সরকার। 

 

তাই আপনি যদি কাজ করার উদ্দেশ্যে মাল্টা যেতে চান। তাহলে আপনি সরকারি ও বেসরকারি এই দুই পদ্ধতিতে মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। 

 

তবে যেহুতু আপনি ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যেতে চাচ্ছেন। তাহলে অবশ্যই আপনার কোনো না কোনো কাজে দক্ষতা থাকা উচিত। 

See also  আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?

 

কেননা, বর্তমান সময়ে মাল্টায় দক্ষ শ্রমিক এর ব্যাপক পরিমান চাহিদা রয়েছে। আর আপনার নির্দিষ্ট কাজে দক্ষতা থাকলে। তাহলে আপনার দ্রুততার সাথে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। 

বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়ার উপায় কি?

আপনি সরকারি ও বেসরকারি দুটো মাধ্যমেই বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যেতে পারবেন। 

 

তবে যদি আপনি সরকারি ভাবে মাল্টা যেতে চান। তাহলে আপনাকে সরকার থেকে প্রকাশ করা নিয়োগ গুলোতে আবেদন করতে হবে। অথবা আপনি চাইলে নিজেই নিজের জন্য মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার আবেদন করতে পারবেন। 

 

আর যদি আপনি নিজে থেকে মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে চান। তাহলে আপনি visa.vfsglobal.com🔗 এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। তারপর উক্ত ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে ফরম পূরন করতে হবে। 

 

তো যখন আপনি এই ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরন করবেন। তারপর সেটির সাথে আরো প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র যুক্ত করে। আপনাকে সেগুলো নিয়ে পুনরায় বাংলাদেশ ভিসা কনসুলেট অফিসে গিয়ে জমা দিতে হবে। 

 

আর যখন আপনি আবেদন ফরম সহো আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো জমা দিবেন। তারপর আপনি মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য সফলভাবে আবেদন করতে পারবেন। 

মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য কি কি ডকুমেন্টস লাগবে?

যখন আপনি বাংলাদেশ থেকে মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করবেন। তখন আপনার যে সকল ডকুমেন্টস এর দরকার হবে। সেগুলো হলো, 

 

  1. একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে। 

  2. ভিসা আবেদন ফরম,

  3. আপনার পাসপোর্ট সাইজের ছবি,

  4. আপনার আপডেট সিভি,

  5. মেডিকেল ইন্স্যুরেন্স,

  6. জাতীয় পরিচয়পত্র,

  7. কাজের দক্ষতার সনদ,

  8. শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ,

 

তো যারা মাল্টা ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করবেন। তাদের যে সব ডকুমেন্টস দরকার হবে। সেগুলো উপরের তালিকা তে দেওয়া হয়েছে। 

মাল্টা কাজের ভিসা অনলাইনে আবেদন করার উপায়

অনেকেই জানতে চান যে, কিভাবে মাল্টা কাজের ভিসা অনলাইনে আবেদন করবো। তো আপনি আসলে অনলাইন থেকে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন না। 

See also  ফ্রিল্যান্সিং এর কোন কাজের চাহিদা বেশি?

 

বরং আপনাকে vfsglobal.com🔗এই ওয়েবসাইট থেকে একট আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। তারপর আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে। সেই আবেদন ফরম পূরন করতে হবে। 

 

যখন আপনি এই কাজটি করবেন। তারপর আপনার ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সেই ফরমে যুক্ত করে। সেগুলো ভিসা কনস্যুলেট অফিসে জমা দিতে হবে। তারপর যা করার তারাই করবে। 

বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যেতে কত টাকা লাগে?

বর্তমান সময়ে যারা ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় মাল্টা যাবেন। তারা যদি সরকারি ভাবে মাল্টা যেতে পারেন। তাহলে আপনার মোট খরচ হবে ০৩ লক্ষ থেকে ০৪ লক্ষ টাকা। 

 

তবে যদি আপনি বেসরকারি ভাবে বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যান। তাহলে আপনার অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হবে। 

 

কেননা, বেসরকারি ভাবে মাল্টা গেলে আপনার ০৮ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা খরচ করার প্রয়োজন হবে। তাই অবশ্যই সরকারি ভাবে মাল্টা যাওয়ার চেষ্টা করবেন। 

মাল্টায় কোন কাজের চাহিদা বেশি?

বর্তমান সময়ে মাল্টায় যে সকল কাজের চাহিদা আছে। আর সেই কাজের জন্য কত টাকা করে বেতন পাওয়া যায়। সেগুলো নিয়ে এবার আমি একটি তালিকা শেয়ার করবো। 

 

যে তালিকা থেকে আপনি মাল্টার চাহিদা সম্পন্ন কাজ ও বেতন সম্পর্কে জানতে পারবেন। 

 

তো সবার শুরুতে আমি আপনাকে জানাবো, মাল্টায় কোন কাজের চাহিদা বেশি। যেমন, 

 

  1. কনস্ট্রাকশন, 

  2. রেষ্টুরেন্ট,

  3. ক্লিনার ম্যান,

  4. সিকিউরিটি গার্ড,

  5. ফ্যাক্টরির কাজ,

  6. নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার,

  7. কৃষিকাজ,

  8. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার,

  9. জিম ট্রেইনার,

  10. ডাক্তার,

  11. বাস্কেটবল ট্রেইনার,

  12. গ্রাফিক্স ডিজাইনার,

 

আর যদি আপনি মাল্টাতে গিয়ে এই কাজ গুলো করেন। তাহলে আপনি বাংলাদেশি টাকায় কত বেতন পাবেন। সেটি জানতে হলে, নিচের টেবিলে চোখ রাখুন। 

 

মাল্টা কাজের ভিসা একমাসের বেতন কত

সিরিয়াল নং

কাজের নাম 

কাজের বেতন (মাসিক)

০১

ফ্যাক্টরি কাজ

১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা

০২

ডেভলপার 

২ লাখ ৫০ হাজার টাকা

০৩

কনস্ট্রাকশন এর কাজ

১ লাখ ৬০ হাজার টাকা 

০৪

গার্মেন্টস এর কাজ

১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা

০৫

কৃষিকাজ 

১ লাখ ২০ হাজার টাকা

০৬

রেষ্টুরেন্ট কর্মী

১ লাখ ৫০ হাজার টাকা 

০৭

ড্রাইভিং

১ লাখ ৫০ হাজার টাক 

০৮

সিকিউরিটি গার্ড এর কাজ 

৮০ হাজার টাকা 

০৯

ইলেকট্রিশিয়ান 

১ লাখ ২০ হাজার টাকা 

See also  ডিজিটাল মার্কেটিং এর বর্তমান অবস্থা কেমন?

মাল্টার সর্বনিন্ম বেতন কত?

বর্তমান সময়ে মাল্টার সর্বনিন্ম কাজের বেতন হলো, ৮০ হাজার টাকা। 

মাল্টার সর্বোচ্চ কাজের বেতন কত? 

মাল্টায় সর্বোচ্চ কাজের বেতন এর পরিমান হলো, ০৬ লাখ টাকা। 

মাল্টায় কোন কাজ পাওয়া সহজ?

আইনী, আর্থিক, ফার্মাসিউটিক্যাল, মেডিকেল আইটি এবং পর্যটন বিশেষজ্ঞ এর কাজ পাওয়া সহজ। 

মাল্টায় কোন চাকরির বেতন বেশি?

ম্যানেজমেন্ট এবং আইটি রিলেটেড চাকরির বেতন বেশি। 

মাল্টা কি সেনজেন দেশ?

হ্যাঁ! মাল্টা হলো সেনজেন ভুক্ত অঞ্চলের একটি দেশ। 

মাল্টায় একজন শিক্ষার্থী কত টাকা আয় করতে পারে?

মাল্টায় একজন শিক্ষার্থী ২০ ঘন্টা কাজ করতে পারবে। আর প্রতি ঘন্টায় কাজের জন্য ৮-১২ ইউরো ইনকাম করতে পারবে। 

মাল্টা ধর্ম কি?

মাল্টার মূল ধর্ম হলো, রোমান ক্যাথলিক। 

আপনার জন্য কিছুকথা

যারা কাজের ভিসায় মাল্টা যেতে চান। তাদের জন্য আজকে বাংলাদেশ থেকে মাল্টা যাওয়ার উপায় গুলো শেয়ার করা হয়েছে। 

 

আশা করি, আজকের এই আর্টিকেল থেকে অনেক উপকৃত হয়েছে। 

 

আর এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো বিনামূল্যে পেতে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ। 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *